স্মার্ট বাংলাদেশের বিনির্মাণে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে

২৩ জুলাই, ২০২৩ ১৪:২২  

২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়ন করতে হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও শিল্পখাত শতভাগ ডিজিটাল রূপান্তর ও ইন্টারনেট সংযোগ এবং ডিজিটাল স্বাক্ষরতা ও ই-কমার্স পেনিট্রেশন ৫০ শতাংশে উন্নীত করণ এবং সারকারি সেবার ৫০ শতাংশই অনলাইনে নিয়ে আসার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।  তাদের মতে, স্মার্ট বাংলাদেশের বিনির্মাণে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত তথা বিজনেস প্রসেস আউটসোর্স বড় ভূমিকা পালন করবে। এজন্য বেসরকারি খাতে ১৩ গুণ বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।  

সোমবার রাজধানীর রূপসী বাংলায় অনুষ্ঠিত বিপিও সম্মেলনে ‘এক সাথে এগিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য যুথবদ্ধ প্রচেষ্টা’ বিষয়ক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনে এমনটাই জানিয়েছেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়্যারম্যান ড. মুহাম্মাদ মাশরুর রিয়াজ।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের ২০ শতাংশ খাদ্যশস্য বিনষ্ট হবে। তাই কৃষি কে শিল্পায়নে প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই।

মাস্টারকার্ড কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মাদ কামালের সঞ্চালনায় সেমিনারে প্যানেল আলোচক হিসেবে বেসিস সভাপতি রাসেল টি আহমেদ, আইএসপিএবি সভাপতি ইমদাদুল হক, ই-ক্যাব সভাপতি শমী কায়সার, বিইউআইএলডি চেয়ারপারসন ব্যারিস্টার নাহিদ কবির এবং বিসিএস সভাপতি সুব্রত সরকার।

অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইসিটি বিভাগের সচিব মো: শামসুল আরেফিন বলেন, স্মার্ট সিটিজেন হতে গ্রাজ্যুয়েট হওয়ার আগেই প্রযুক্তিতে দক্ষ হতে হবে। প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রতারণা বিষয়ে আমাদের সচেতনতা বাড়াতে। স্মার্ট অর্থনীতি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। তাই শিশুদের আইসিটি খাতে নেতৃত্ব দিতে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। কেননা, আমাদের আনইথিক্যাল নয়; ইথিক্যাল হ্যাকার দরকার। এমন সুশান গড়ে তুলতে হবে যেনো কেউ কাউকে চাইলেই হয়রানি করতে না পারে।